গাজী নূরুল আমিন,(কৈখালী শ্যামনগর থেকে)
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের জয়াখালী গ্রামের মৃত জাবেদ আলী গাজীর পুত্র মোঃ ইয়াসিন আলী (৩৮) স্ত্রীর সাথে কলহের কারণে আত্মহত্যা করেন বলে এলাকাবাসী ধারণা করছেন ।
ইয়াসিন প্রথমে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামে বিয়ে করেন,তাদের সংসার জীবনে একটি কন্যা সন্তান ও একটি পুত্র সন্তান আছে। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী কলহের কারণে তাদের প্রথম বিবাহ দুই বছর আগে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ইয়াসিন পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিয়ে করেন শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশীপুর গ্রামে, এবং প্রথম স্ত্রীর দুই সন্তান থাকার কারণে তাদের সংসারে ঝগড়া ও মানসিক অশান্তি লেগেই থাকতো।
প্রথম স্ত্রীর সন্তানদের লেখাপড়ার খরজের টাকা দেওয়ায় ছোট স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন ঝামেলা চলতে থাকে ইয়াসিনের।
ইয়াসিন ভাটাশ্রমিক ও এলাকায় নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে বলে এলাকাবাসী জনাই।
কয়েক মাস আগে ভাটা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যায় ইয়াসিন।
গত ২৩ শে মার্চ ইয়াসিন বাড়ি আসার পরে ছোট স্ত্রীর সাথে আবারো কলহ সৃষ্টি হয়।
ইয়াসিন, রাতে তার ছোট স্ত্রী বাপের বাড়ি থাকা অবস্থায মোবাইল ফোনে বলে যে আমি আত্মহত্যা করব।
খবর পেয়ে স্ত্রী তার ভাইদের নিয়ে ইয়াসিনের বাড়িতে আসে।
আসার পরে তাদের সাথে বাক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ইয়াসিন ঘরের আড়ার সাথে গলায় দড়ি দিতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন বাধা দেন, পরবর্তীতে নদী সাঁতার দিয়ে পার্শ্ববর্তী রমজানগর ইউনিয়নের কালিঞ্চী গ্রামের নদীর চরে গাছের সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। স্থানীরা সকালে নদীর চরে বিবস্ত ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশের সংবাদ দেয়।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি, ঘটনা স্থানে হাজির হইয়া সঙ্গী ফোর্স নিয়ে লাশ সুরত হালের জন্য সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করেন।
আপনার মতামত লিখুন :